মুন্তাখাব হাদিছ

সৎচরিত্র

হযরত আবু হুরায়রা (রাযি) বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, ঈমানওয়ালাদের মধ্যে সবচাইতে পরিপূর্ণ মুমেন ঐ ব্যক্তি যাহার চরিত্র সবচাইতে ভাল;আর তোমাদের মধ্যে সবচাইতে উত্তম ঐ সমস্ত লোক যাহারা আপন স্ত্রীদের সহিত (আচার-ব্যবহারে) সবচাইতে ভাল।____(মুসনাদে আহমাদ)

Advertisements
মিডিয়া সন্ত্রাস

মিডিয়া সন্ত্রাস

মুসলমানদের একটা বড় ভুল কি জানেন ?
তাদের কোন মিডিয়া নেই।
পৃথিবীতে মিডিয়া নামক বস্তুটা প্রায় পুরোটাই ইহুদীদের দখলে
ডাইরেক্ট অথবা ইনডাইরেক্ট।

মিডিয়ায় যা দেখানো হচ্ছে, অধিকাংশ মানুষ তাই সরল বিশ্বাসে বিশ্বাস করছে।
মিডিয়া যদি মানুষকে ডান দিকে যেতে বলছে, তবে সাধারণ মানুষ ডান দিকে যাচ্ছে।
মিডিয়া যদি মানুষকে বাম দিকে যেতে বলছে, তবে সাধারণ মানুষ বাম দিকে যাচ্ছে।
মিডিয়া দ্বারা কন্ট্রোল করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের মনমগজ। মানুষের বিচার বু্দ্ধি  লোপ পেয়েছে। মিডিয়া যেন এক হ্যামিলনের বাশিওয়ালা, যেই বাশিওয়ালার বাশির সূরে হারিয়ে গিয়েছিলো হ্যামিলিন শহরের সকল শিশু।

সত্যি বলতে বর্তমান সময়ে মিডিয়াই হয়ে গেছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু। এই মিডিয়ার মাধ্যমে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছিলো- টুইন টাওয়ার মুসলমানরা ভেঙ্গেছে, এই মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে ইরাকে মরনাস্ত্র আছে, এই মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে প্যারিসের হামলা মুসলমানরা করেছে, এই মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত প্রচার করা হচ্ছে মুসলমান শব্দের প্রতিশব্দ ‘সন্ত্রাসী’। বিসিসি, সিএনএন, রয়টার্স, ফক্স নিউজ যেন এক একটা মুসলিম বিরোধী দানব, মুসলমানদের পৃথিবী থেকে অস্তিত্ব নাশ না করা পর্যন্ত যেন তাদের বিশ্রাম নেই।

কিন্তু কি করবেন বলেন ?
মিডিয়ার প্রতিবাদ তো মিডিয়া দিয়েই করতে হবে। কিন্তু মুসলমানরা তো সেই দিকে আগায় নি। ইহুদীরা সব মিডিয়া দখল করেছে, উপরন্তু ইসলামী নামধারী অনেক মিডিয়াও কন্ট্রোল করছে ইহুদীরা ! কথিত ইসলামী মিডিয়া আল জাজিরার কেন্দ্রে পর্যন্ত বসে রয়েছে Dave Marash এর মত ইহুদীরা।

মুসলমানদের আরেকটি ভুল হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের কোন জরিপ বিভাগ নেই। সামান্য কোন তথ্য-উপাত্তের জন্য মুসলমানদের আজ অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্ভর করতে হয়। যেমন ধরুন, পৃথিবীতে বর্তমানে মুসলমানদের জনসংখ্যা কত ?
এর কোন উত্তর মুসলমানদের কাছে নেই। এটা জানতে হবে কোন অমুসলিম জরিপকারীর থেকে। মুসলমানদের এ সম্পর্কে জ্ঞান তো নেই, জানারও আগ্রহ আছে কি না সন্দেহ। অমুসলিমরা যদি বলে মুসলমানদের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫০ কোটি, কিংবা যদি বলে ২৫০ কোটি তবে সেটাই চোখ বন্ধ করে মেনে নিতে হবে, দ্বিমত করার কোন অপশন নেই। আবার ধরুন, আপনার হয়ত জানা প্রয়োজন মুসলিম দেশগুলোতে কি অ্যামাউন্টের খাদ্য জন্মে কিংবা সেখানে কি পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, এর ডাটা। এ ডাটা পাওয়ার জন্য আপনাকে অমুসলিমদের ডাটার উপর নির্ভর হতে হচ্ছে। তারা যদি সত্য বলে তবে সেটাও আপনার ভরসা, আর যদি মিথ্যা বলে তবে সেটাও আপনার ভরসা। আপনার চোখ বুজে বিশ্বাস করা ছাড়া কোন উপায় নেই। অথচ দেখবেন, অমুসলিমরা সব সময় এই জরিপ-সেই জরিপের মাধ্যমে মুসলিম দেশগুলো থেকে ডাটা কালেকশনে ব্যস্ত আছে। তারা প্রতিনিয়ত মুসলিম দেশ থেকে ডাটা সংগ্রহ করে কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে, আর সেই ডাটা অনুসারে ইহুদীরা তাদের নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে বোকা বানিয়ে ফেলছে মুসলমানদের।

আমি আবার বলছি,
বর্তমানে মুসলমানদের অবস্থা হচ্ছে হাতির মত। হাতির বিশাল শরীর, কিন্ত কানগুলো বিশাল বড় আর চোখগুলো চোট হওয়ায় হাতি নাকি তার শরীর দেখতে পায় না। কথায় বলে, হাতি যদি জানতো তার এত বড় শরীর আছে, তবে অবশ্যই সে পৃথিবীতে তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ফেলতো। ঠিক একইভাবে মিডিয়া ও জরিপ বিভাগ ছাড়া মুসলমানরা হয়ে পড়েছে হাতির মত। যে যদি জানাতো তার রয়েছে বিশাল জনসংখ্যা ও বিশাল সম্পদ তবে নিশ্চয়ই তারাও পৃথিবী জুড়ে তাদের পুরানো কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনতে পারতো। কিন্তু মুসলমানদের সে পথে পথ প্রদর্শন করবে কে ?

সবাইকে ধন্যবাদ।

image

ইহুদী সন্ত্রাসী

মৃত মুসলিম

এক মার্কিন রাজনীতিবিদের ফেসবুক স্ট্যাটাস। উপরে দিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ র‌্যাটল স্নেকের ছবি, আর নিচে সিরিয়ান শরানার্থীদের ছবি। এরপর সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়েছে- “তোমরা বলতে পারবে কোন র‌্যাটলটা তোমাকে কামড়াবে না ?”

মজার ব্যাপার হচ্ছে- সিড মিলার নামক টেক্সাসের ঐ রাজনীতিবিদের (সে টেক্সাসের কৃষি কমিশনারও) ফেসবুক স্ট্যাটাসের প্রথম কমেন্ট করেছে Glenda Alford নামক এক নারী। তার কমেন্টটা হলো- “The dead ones won’t bite, Sid! That was an easy one!” (মৃতগুলো কামড়াতে পারে না, এটাই সহজ পদ্ধতি। মানে মুসলমানদের মেরে ফেলো, এটাই সহজ পদ্ধতি)। এ ভয়ানক কমেন্টেও লাইক আছে ৩১০টি এবং কমেন্টকারীকে বাহবা দেওয়ারও লোকের অভাব নেই,স্বদেশীয়  অনেক মানুষ আছে- যারা সারা দিন আমেরিকানদের মহান, মানবতাবাদী, ভালো মানুষ বলে মুখে ফেনা তুলে। আমার মনে হয়, যারা এ ধরনের মার্কিন প্রশংসায় ব্যস্ত থাকে, তারা নির্ঘাত দিনের বেলায় আমেরিকার কোন রেস্ট্রুরেন্টের ওয়াশ

image

রুমে ঢুকে থালা মাজে, কিংবা টয়লেটের স্টুল পরিষ্কার করায় ব্যস্ত থাকে, আমেরিকা জুড়ে কি ঘটছে সেটার খবর নেওয়ার সময় কোথায় ? কিন্তু রাতের বেলায় মোবাইলে টাকা ঢুকিয়ে বলে – “আরে তোরা ঐ ফকিরন্নি দেশে থেকে আমেরিকার কথা কি জানিস ? আমি জানি না, আমেরিকানদের মত মানুষই হয় না”।

সিড মিলারের স্ট্যাটাসের লিঙ্ক- https://goo.gl/Yg2tUk

আমাদের পরিত্রাণের উপায় কি

মুসলামান্দের পরিত্রাণের উপায় কি

অনেকেই প্রশ্ন করে-
“বর্তমানে মুসলমানদের তো অনেক কঠিন পরিস্থিতি। এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের উপায় কি ?”

আমি বলবো- এর উত্তর পবিত্র কুরআন পাকে আছে। কুরআন পাকের প্রথম সূরা ফাতেহার মধ্যে আছে। সূরা ফাতেহায় মহান আল্লাহ মুসলমানদের এভাবে দু’য়া করতে বলেছেন-

“ হে আল্লাহ, আমাদেরকে সরল পথ দেখান। সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে আপনি নেয়ামত দান করেছেন। (সূরা ফাতেহা ৫-৬) অর্থাৎ নিয়ামতপ্রাপ্ত ব্যক্তি মানে নবী-রাসূল ও বুজুর্গদের পথ চাইতে হবে।  (“মহান আল্লাহ তায়ালা নিয়ামত দান করেছেন- নবী, সিদ্দিক, শহীদ, সলেহকে।”—সুরা নিসা: ৬৯)

আবার বলছেন-
“তাদের পথ দিবেন না, যারা গজবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত”। (সূরা ফাতিহা: ৭)— অর্থাৎ ইবলিশ শয়তান ও কাফির-মুশরিকদের পথ থেতে পানাহ চাইতে হবে।

সংক্ষেপে বলতে- কাফিরদের পথে চলা যাবে না, নবী-রাসূল-বুজুর্গের পথে চলতে হবে। তবেই মুসলমানদের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ।

আসলে বর্তমানে মুসলমানরা অনেক গুনাহখতা করে ফেলেছে। অনেক ভুল করেছে ফেলেছে। সর্বক্ষেত্রে কাফিরদের গোলাম হয়ে গেছে। এই কারণেই মুসলমানদের এ করুণ অবস্থা। এজন্য গুনাহ থেকে আগে ক্ষমা চাইতে হবে, তওবা করতে হবে। কোন ভাবেই কাফিরদের অনুসরণ করা চলবে না। কুরআন হাদীসকে শক্তভাবে আকড়ে ধরতে হবে, এগুলো করতে পারলেই মুসলমানদের উপর মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে গায়েবী মদদ হবে । আর আল্লাহ তায়ালা’র গায়েবী মদদ ছাড়া বর্তমান মুসলমানদের পরিত্রাণের আর কোন উপায় নেই।

মুসলিম কি সন্ত্রাসী?

মুসলিম কি সন্ত্রাসী

প্রচার করা হচ্ছে, মুসলিম মাত্রই নাকি সন্ত্রাসী। অথচ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ক সংগঠন ইউরোপোলের রিপোর্ট (২০০৬-০৯) অনুসারে ইউরোপের মোট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ০.৩২ % এর জন্য মুসলমানরা দায়ি, বাকি ৯৯.৬৮% জন্য বাকি ধর্মগুলো দায়ি।

মন্তব্য: আমার মনে হয়, মুসলমানদের উচিত ইউরোপের অমুসলিম সন্ত্রাসীদের দমনের জন্য সেখানে ড্রোন হামলা চালানো এবং বিমান দিয়ে বোম্বিং করে পুরো ইউরোপকে গুড়িয়ে দেওয়া।

খবরের সূত্র:
১) http://www.loonwatch.com/2010/01/terrorism-in-europe/
২) http://dontyoubelievethehype.com/2010/08/all-terrorists-are-muslims-2/

image

ইহুদী সন্ত্রাসী

ইহুদী সন্ত্রাসী

image

ইহুদী নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় একযোগে অপপ্রচার চলছে, ছড়ানো হচ্ছে- মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। ‍মুসলিমদের উচিত প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা, একযোগে বলা- “মুসলমানরা নয় ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু, বৌদ্ধ ও নাস্তিকরাই আসল সন্ত্রাসী। এবং সন্ত্রাসীপনা করাই তাদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য ।”

ছবির সূত্র: https://socioecohistory.wordpress.com/2013/04/15/six-jewish-companies-control-96-of-the-worlds-media/

Uncategorized

চেহারা পরিবর্তন

image

(১) ব্রাজিলের এক ব্যক্তি প্ল্যাস্টিক সার্জারি করে তার চেহারা পোষা কুকুরের মত করেছে। (http://goo.gl/u4Vbhu)

(২) মেক্সিকোর মারিয়া জোস ক্রিস্টিনা নামক এক নারী প্ল্যা্স্টিক সার্জারি করে নিজ চেহারা পরিবর্তন করে রক্ত চোষা ভ্যাম্পায়ারের মত করেছে। (http://goo.gl/Jjn950)

(৩) Erik Sprague নামক এক মার্কিনী চেহারা সার্জারি করে গুইসাপের মত করেছে। (https://goo.gl/6Os8Q9)

(৪) Dennis Avner নামক এক মার্কিনী তার চেহারা প্ল্যাস্টিক সার্জারি করে চেহারা বিড়ালের মত করেছে।  (https://goo.gl/iFXrlE)

এরকম আরো বহু উদহারণ আছে, কিন্তু ফেসবুকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

আচ্ছা অমুসলিমদের মধ্যে চেহারা পরিবর্তন করে কুকুর-বিড়াল সাজার খুব ইচ্ছা, কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে কি সেই ইচ্ছা আছে ? তাদের ধর্ম এ সম্পর্কে কি বলে ? জানতে ইচ্ছা রাখি….. (নয়ন চ্যাটার্জি)